Responsive Menu
Add more content here...

Shane Sahaba Council

নোয়াখালীতে নির্যাতিত ইমামের পাশে শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল বাংলাদেশ

গত ৩০ এপ্রিল নোয়াখালীর মাইজদী শহরে হাজী নুরুল ইসলাম জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাহমুদুল হাসানকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন মাইজদী প্রাইম হসপিটালের মালিক ডা.মাহবুব ও তার স্ত্রী শামীমা সুইটি।
উক্ত ঘটনায় পরদিন ১ লা মে নোয়াখালী সফর করেন শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মুফতি শামীম মজুমদার হাফিজাহুল্লাহ। এসময় তার সাথে ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফয়েজ মাহমুদ ও কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা মাহদী হাসান সিদ্দিকীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

সকাল ৯ টায় হামলাকারী ডা.মাহবুব ও তার স্ত্রী নোয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবর ঘটনাটির আপোষ মিমাংসা করে দিতে আবেদন করেন।

বেলা ১১ টায় পুলিশ সুপার নোয়াখালী জনাব শহীদুল ইসলাম পিপিএম বিপিএম এর অনুরোধে সুধারাম থানায় উক্ত ঘটনার একটি আপোষ মিমাংসা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুলিশের পক্ষে নেতৃত্বদেন নোয়াখালী সদর সুধারাম থানার সহকারী সার্কেল অফিসার মোর্তাহীন বিল্লাহ ও সুধারাম থানার অফিসার ইনচার্জ।

এসময় শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল বাংলাদেশ এর মাননীয় চেয়ারম্যান মুফতি শামীম মজুমদার হাফিজাহুল্লাহ উক্ত হামলার বিষয়ে মামলা করার কথা বলেন, পরে নোয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল অদুদ পিন্টু ও অন্যতম শ্রদ্ধাভাজন মুরব্বী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জিএস কাশেমের অনুরোধে শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল বাংলাদেশ ভিকটিম ইমামের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে তাকে থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করতে বললে তিনি তা করেন।

বৈঠকে প্রাইম হসপিটালের মালিক ডা.মাহবুব ও তার স্ত্রী ভিকটিম ইমামের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য : উক্ত ঘটনাটি জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া জাগায়।

শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মহোদয় উক্ত ঘটনার সফল আপোষ মিমাংসায় বুদ্ধিভিত্তিক, আন্তরিক ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের জন্য পুলিশ সুপার নোয়াখালীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top