শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল বাংলাদেশ

[ দাওয়াহ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ]
পূর্বের নাম : মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ।
২০১৫ সালের জানুয়ারীতে মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ নামে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়।
চলমান কর্মসূচী সমূহ
১. দেশব্যাপী খতীব সাহেবদেরকে আইনী সহায়তা প্রদানে শানে সাহাবা আইন সাপোর্ট টিম গঠিত।
২. খতীব সাহেবদের সাস্থ্য সুরক্ষায় মেডিকেল সাপোর্ট টিম গঠিত।
৩. খতীব কাউন্সিলের বেকার সদস্যদের জন্য খেদমত টিম গঠিত।
৪. বার্ষিক জেলা খতীব সম্মেলন আয়োজন
৫. বার্ষিক জেলা আন্তর্জাতিক শানে সাহাবা সম্মেলন আয়োজন।
৬. আলেম ওলামাদের জন্য জেলা বিশুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াত প্রশিক্ষণ।
৭. বার্ষিক সীরাতে সাহাবা জাতীয় কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন।
৮. বার্ষিক ইসলামিক নাশিদ কনসার্ট আয়োজন।
৯. বার্ষিক জেলা ফিকহী সেমিনার আয়োজন।
১০. সাপ্তাহিক খুতবা প্রদর্শন
১১. বিষয়ভিত্তিক খুতবা প্রদর্শন
১২. মসজিদ ভিত্তিক শানে সাহাবা মাহফিল আয়োজন।
১৩. দূর্গত এলাকায় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা প্রদান।
১৪. ইত্যাদি…
পালিত কর্মসূচীসমূহ :
১.
জেলা ভিত্তিক আলেমদের জন্য ৬ দিনব্যাপী কুরআনুল কারীমের বিশুদ্ধ তিলাওয়াত প্রশিক্ষণ কর্মশালা। প্রশিক্ষণ প্রধান করেন, শায়খুল হুফফাজ হাফেজ আব্দুল হক হাফিজাহুল্লাহ।
২.
মসজিদ ভিত্তিক বয়ান, আলোচনা, ময়দানে ওয়াজ মাহফিল ও সভা সেমিনারসহ নানারকম দাওয়াহ কর্মসূচি চালু করা হয়।
৩.
দেশব্যাপী সংকটাপন্ন, নির্যাতিত ইমাম, খতীব ও আলেম ওলামাদেরকে আইনী সাপোর্ট, নগদ অর্থ সহায়তা এবং মানবিক সাহায্য প্রদান করা হয়।
৪.
দেশব্যাপী খিদমাত প্রত্যাশী আলেমগণকে বিভিন্ন মসজিদ মাদরাসা ও প্রতিষ্ঠানে যথাযথ সম্মানে খিদমাত প্রদান করা হয়।
৫.
অসুস্থ রোগাক্রান্ত আলেমদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
#দাওয়াহ কার্যক্রম :
১.
২০১৮ সালের জানুয়ারীতে মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশের প্রথম কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়।
উক্ত কমিটিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি শামীম মজুমদার হাফিজাহুল্লাহ চেয়ারম্যান ও হাফেজ মাওলানা শরীফ উল্লাহ তারেকী হাফিজাহুল্লাহ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। উক্ত কমিটির প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণকরেন হাটহাজারী মাদরাসার সাবেক মুহতামিম ও শাইখুল হাদীস, কায়িদে মিল্লাত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রাহিমাহুল্লাহ।
২.
প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা বাবুনগরী রাহিমাহুল্লাহর নির্দেশে ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকার বায়তুল মুকাররমস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ আয়োজন করে দেশের ইতিহাসে প্রথম জাতীয় শানে সাহাবা সম্মেলন। উক্ত সম্মেলনে প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রাহিমাহুল্লাহ। সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, দেশবরেণ্য ইসলামী রাজনীতিক ও শিক্ষাবিদ হাফেজ অধ্যক্ষ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন রাহিমাহুল্লাহ। বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষাবোর্ডের সভাপতি আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ উবায়দুর রহমান খান নদভীসহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ।
উক্ত সম্মেলনে সাহাবা আজমাইনের আজমত ও মাকামকে নানারকম কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়েদিতে আল্লামা বাবুনগরী রাহিমাহুল্লাহ খুবই গুরুত্বের সাথে সংগঠনের দায়িত্বশীলদেরকে নির্দেশ প্রদান করেন।
২.
২০১৯ সালের ১ লা আগস্ট ঢাকার মাদানীনগর মাদরাসা সংলগ্ন বটতলা মাঠে ২য় শানে সাহাবা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি শামীম মজুমদার হাফিজাহুল্লাহর সভাপতিত্বে উক্ত সম্মেলনে প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রাহিমাহুল্লাহ। বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ এর নির্বাহী উপদেষ্টা, ফকিহুল আছার আল্লামা মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, সিনিয়র উপদেষ্টা মুজাহিদে মিল্লাত আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী, মাদানীনগর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ফয়েজ উল্লাহ সন্দিপীসহ দেশ বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।
৩.
২০২০ সালের মার্চে মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি গঠিত হয়। চট্টগ্রামের হালিশহর বিডিআর মাঠে এক শানে সাহাবা কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ নূরী মাহমুদী হাফিজাহুল্লাহর সভাপতিত্বে উক্ত কনফারেন্সে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র উপদেষ্টা জামিআ ইসলামিয়া পটিয়া চট্টগ্রামের সুযোগ্য মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুল্লাহ হামযা দামাত বারাকাতুহুম এবং সংগঠনের অপর সিনিয়র উপদেষ্টা বরেণ্য ইসলামিক স্কলার ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন দামাত বারাকাতুহুম।
৪.
২০২০ সালের মার্চে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী কলেজমাঠে ৩য় আন্তর্জাতিক শানে সাহাবা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে সংগঠনের চেয়ারম্যান মুফতি শামীম মজুমদার হাফিজাহুল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন দারুল উলুম দেওবন্দের সিনিয়র মুহাদ্দিস ও নাযিমে দারুল ইকামা আল্লামা মনির উদ্দিন নকশবন্দি দামাত বারাকাতুহুম। প্রধান আলোচকের বয়ান ও আখেরী মুনাজাত করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রাহিমাহুল্লাহ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নির্বাহী উপদেষ্টা আল্লামা মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ দামাত বারাকাতুহুম।
৫.
২০২১ সালের জানুয়ারীতে উপদেষ্টা মন্ডলীর পরামর্শের ভিত্তিতে সংগঠনের নাম পরিবর্তনকরে ‘শানে সাহাবা কাউন্সিল বাংলাদেশ’ নামে নামকরণ করা হয়। সংগঠনের বর্তমান এ নামটি প্রস্তাব করেন শানে সাহাবার সিনিয়র উপদেষ্টা জামিআ ইসলামিয়া পটিয়া চট্টগ্রামের সুযোগ্য মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুল্লাহ হামযা দামাত বারাকাতুহুম। পরবর্তীতে লিখিত সাক্ষরের মাধ্যমে এ নাম অনুমোদন করেন শানে সাহাবার মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রাহিমাহুল্লাহ।
৬.
২০২১ সালের ১৯ আগস্ট শানে সাহাবার মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রাহি.) ইন্তেকাল করেন। অতপর সংগঠনের নতুন প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন সিনিয়র উপদেষ্টা আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী দামাত বারাকাতুহুম।
৭.
২০২১ সালের অক্টোবরে ঢাকার চিটাগাংরোডে শানে সাহাবার উদ্যোগে ৪র্থ শানে সাহাবা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে শানে সাহাবা চেয়ারম্যান মুফতি শামীম মজুমদার হাফিজাহুল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী দামাত বারাকাতুহুম। মুফতি সাইয়েদ ড. এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী পীরসাহেব জৌনপুর, চরমোনাই আলীয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, ঢাকা তামিরুল মিল্লাত মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. যোবায়ের আহমাদসহ দেশ বরেণ্য ওলামা মাশায়েখগণ।
৮.
২০২২ সালের ১৫ মে শানে সাহাবা কাউন্সিল বাংলাদেশ এর সহযোগী সংগঠন হিসেবে গঠিত হয় শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল।
৯
২০২২ সালের জুনে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কুড়িগ্রামের বন্যা দূর্গত এলাকায় প্রথম কর্মসূচী হিসেবে ত্রাণ বিতরণ করে শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল।
#নতুনদের উদ্দেশ্যে শানে সাহাবার তপ্ত আহবান
অনেকেই দ্বীনের বিভিন্ন শাখায় কাজ করছেন, আলহামদুলিল্লাহ। আমরাও একটা প্লাটফর্ম দাঁড় করিয়েছি। শানে সাহাবা কাউন্সিল বাংলাদেশ। এ কাউন্সিলের একটি সহযোগী সংগঠন হল; শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিল।
শানে সাহাবা সম্পূর্ণরুপে একটি অরাজনৈতিক ও দাওয়াহ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এ সংগঠনের কাজ হল; রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার প্রিয় সাহাবাদের আদালত, মাকামাত ও আজমাতকে সমাজে পরিচিত এবং প্রতিষ্ঠিত করা।
রাজনৈতিক হক সংগঠন আমাদেরদেশে একাধিক রয়েছে। শানে সাহাবা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের প্রবক্তা সংগঠনগুলোর অন্যতম একটি। কোন ইসলামী হকপন্থী দলমত ও আলেমের বিরোধিতা করা শানে সাহাবার নীতি আদর্শ বিরোধী কাজ বলে বিবেচিত হবে ।
রাস্ট্র ক্ষমতায় যে দলই অধিষ্ঠিত থাকুক, শানে সাহাবা যেহেতু অরাজনৈতিক সংগঠন; তাই এ সংগঠন কখনোই রাস্ট্র ও সরকারের বিরোধিতা করবে না। শানে সাহাবা সরকারের সফল কাজকে সমর্থন ও স্বাগত জানাবে। পাশাপাশি সরকারের ইসলাম বিরোধী অন্যায়কাজে এসংগঠন গঠণমূলক সমালোচনা করবে। সমাজের অভিভাবক খতীবদের সংগঠন হিসেবে নীতিগতকাজে শানে সাহাবা সরকারকে পরামর্শ প্রদান করবে।
শানে সাহাবা সুন্নাহ মতাদর্শী সকল দ্বীনি ভাই বোনদের সহযোগিতা কামনা করছে। আপনাদের সহযোগিতা পেলে শানে সাহাবা সমাজ ও রাস্ট্রে সীরাতে সাহাবাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পাবে। ইনশাআল্লাহ।
শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিলের সাংগঠনিক ভিত্তি :
১.
কমিটি গঠন;
কমিটি গঠণে সাংগঠনিক এক্টিভিটিকে প্রাধান্য দিচ্ছে শানে সাহাবা। কেননা যোগ্যতার পাশাপাশি দায়িত্বশীলদের সাংগঠনিক এক্টিভিটি না থাকায় দেশে বহু সংগঠন ভুঁইফোড় সংগঠনে রুপ নিয়েছে। অনেক সংগঠনে দেখা যায়, পরিচিতি, সেলিব্রিটি বা খ্যাতি দেখে সভাপতি সেক্রেটারিসহ দায়িত্বশীল নির্বাচন করা হয়। পরবর্তীতে এসব দায়িত্বশীলগণ স্রেফ একটা অকার্যকর পকেট কমিটিতে পরিণত হয়। শানে সাহাবাতে কখনোই এসব পকেট কমিটির স্থান নেই। ইনশাআল্লাহ।
৩.
পকেট কমিটি থেকে সংগঠনকে মুক্তকরতে কমিটি গঠনে শানে সাহাবা বেশ কয়েকটি স্তর সৃষ্টি করেছে। যাতেকরে কোন অকর্মা, অলস, স্বার্থান্বেষী, অহংকারী ও সুবিধাভোগী সংগঠনে প্রবেশ করতে না পারে। কেননা অনেকেই শানে সাহাবাতে খেতাবাত পেতে, মাহফিল আয়ত্ত্বকরতে, মেডিকেল ও আইনীসাপোর্টসহ ইত্যাদি সুবিধানিতে অনুপ্রবেশ করে থাকতে পারেন। তাই সংগঠন খুবই সতর্কতার সাথে এসব স্তর সৃষ্টি করেছে।
প্রথমস্তর:
শানে সাহাবা কোন খতীব মহোদয়কে জোর জবরদস্তি করে সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করে না। হ্যাঁ, অনলাইনে অফলাইনে শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিলে যোগ দিতে আহবান করে বিভিন্ন আইডি থেকে প্রচারণামুলক বার্তা প্রদর্শন করা হয়। এতেকরে শানে সাহাবার প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা স্থাপনকারীদেরকে খুঁজে বের করা সহজ হয় । অফলাইনে শানে সাহাবার সদস্যদেরসাথে যেসব খতিব মহোদয়ের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ হচ্ছে, তাদেরকে দাওয়াতি কর্যক্রমের মাধ্যমেও শানে সাহাবায় যোগ দিতে আহবান করে এ সংগঠনের কর্মীরা।
দ্বিতীয়স্তর :
যারা স্বেচ্ছায় দাওয়াত গ্রহণকরে তাদেরকে প্রাথমিকভাবে শানে সাহাবার অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ০১৮১৮-০৮৭৪৭৭ নাম্বারে নিজের নাম ও মসজিদের ঠিকানা পাঠাতে বলা হয়। অতপর যারা নিজের ও মসজিদের নাম ঠিকানা পাঠান, উল্লিখিত গ্রুপের এডমিনগণ তাদেরকে শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিলের প্রাথমিক সদস্য হিসেবে দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করেন। এর একটি কেন্দ্রীয় গ্রুপ অপরটি জেলা গ্রুপ।
অতপর সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় ব্যাপক যাচাই করারপর তাদেরকে শানে সাহাবার চূড়ান্ত সদস্য ও জেলা কমিটির পদপদবীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তৃতীয়স্তর:
জেলা হোয়াটসঅ্যাপগ্রুপের এক্টিভ সদস্যদেরকে নিয়ে প্রাথমিকভাবে একটি ভয়েস মিটিং করা হয়। ভয়েস মিটিংয়ে জেলা গ্রুপের সদস্যদের মতের ভিত্তিতে জেলা শহরের কোন অভিজাত চাইনিজ রেস্টুরেন্ট বা কোন মিলনায়তনে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। মতবিনিময় সভায় শুধুমাত্র গ্রুপের সদস্যরাই অংশগ্রহণ করতে পারেন। এ সভায় গ্রুপের বাইরের কেউ গ্রহণযোগ্য নন। মতবিনিময় সভার খরচ জেলা গ্রুপের সদস্যদের প্রত্যেকে অনির্ধারিত ইয়ানাত বা ফি প্রদানের মাধ্যমে সম্পাদন করেন। যারা এক্ষেত্রে ফি প্রদান করেন না, তাদেরকে শানে সাহাবা ব্ল্যাকলিস্টে তালিকাভুক্ত করে থাকে। ব্ল্যাকলিস্টেড সদস্যগণ কখনোই শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিলে জেলা, বিভাগ বা কেন্দ্রীয় কোন পদপদবী পাবেন না। তাদের কোন প্রয়োজনে শানে সাহাবার কোনপ্রকার দায়বদ্ধতাও থাকবে না। বরং যারা সবসময় সংগঠনেরজন্য যথাসাধ্য অর্থখরচকে এড়িয়ে চলবেন, একসময় তারা শানে সাহাবার সাধারণ সদস্যপদও হারাবেন। আর যারা সংগঠনের জন্য শ্রম ও অর্থ কুরবানী করবেন, তাদেরকে শানে সাহাবা সকলক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বেরসাথে মূল্যায়ণ করবে। ইনশাআল্লাহ।
চতুর্থস্তর:
যারা জেলাগ্রুপে ও মতবিনিময় সভায় যথাসাধ্য জান মালসহ এক্টিভিটি দেখাবেন, তাদেরকে প্রত্যেকের কুরবানি ও ত্যাগ অনুযায়ী; প্রাথমিকভাবে ৩ মাস মেয়াদি জেলা আহবায়ক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ৩ মাসপর সংগঠনে কার ত্যাগ কতটুকু? এ বাস্তবতার ভিত্তিতে দু’বছর মেয়াদি চূড়ান্ত জেলা কমিটিতে ত্যাগী সদস্যদেরকে স্বসম্মানে পদপদবীতে পদায়ন করা হবে।
শানে সাহাবা তাদের যে কোন প্রয়োজনে সাধ্যানূযায়ী পাশে থাকবে।
যারা এ সংগঠনে সদস্য হতে পারবেন :
দেশে যারা বিভিন্ন মসজিদে খুতবা প্রদান করেন এবং বিদেশে যারা ইমাম বা খতীব হিসেবে দায়িত্বরত আছেন তারা এ সংগঠনে উপরোক্ত নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শানে সাহাবার সদস্যপদ গ্রহণ করতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ।
শানে সাহাবা একদল ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন মনের অধিকারী আলেমদের সংগঠন। এ সংগঠনে খ্যাতি বা সেলিব্রিটি দেখে নয়, বরং কাজের যোগ্যতা দেখেই ব্যক্তিকে মূল্যায়ণ করা হয়। আসুন আমরা সংগঠনের জন্য ত্যাগী হই। তবে সংগঠন আমাদের মাথার ছায়া হয়ে দাঁড়াবে। ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ আমাদেরকে শানে সাহাবা খতীব কাউন্সিলের ব্যানারে উম্মাহর কল্যাণেরজন্য যথার্থ উপায়ে জান,মাল ও শ্রম বিনিময় করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
আহবানে-
চেয়ারম্যান, শানে সাহাবা কাউন্সিল বাংলাদেশ।








